আমাদের সম্পর্কে
একজন নারীও যেন একা না থাকেন
National Brighten Association (NBA) ২০২২ সালে গঠিত একটি অলাভজনক সংস্থা — বাংলাদেশের নারীদের অনলাইন নিরাপত্তায় নিবেদিত।
প্রতিটি নারীর জন্য নিরাপদ অনলাইন স্পেস।
তাৎক্ষণিক সহায়তা, আইনি সাপোর্ট ও সচেতনতা — তিন স্তম্ভে কাজ করি।
যেখানে অনলাইন হয়রানি ব্যতিক্রম, নিয়ম নয়।
একটি বাংলাদেশ যেখানে নারীরা নির্ভয়ে ডিজিটাল উপস্থিতি বজায় রাখতে পারেন।
গোপনীয়তা · সম্মান · দ্রুততা · বিশ্বাস।
প্রতিটি কেস, প্রতিটি ভিকটিম, প্রতিটি দিন — এই চার মূল্যবোধে গাইডেড।
প্রভাব
সংখ্যায় আমাদের কাজ
সহায়তা পাওয়া নারী
২০২২ থেকে
কেস সমাধানের হার
গড়
নিবন্ধিত আইনজীবী
সক্রিয়
জেলায় কভারেজ
৬৪টি জেলা
ইতিহাস
আমরা কোথা থেকে এলাম
২০২২ — NBA প্রতিষ্ঠা
৫ জন স্বেচ্ছাসেবী ঢাকায় সংস্থা শুরু করেন।
২০২৩ — সাইবার সেল চালু
অনলাইন হয়রানি ক্ষেত্রে বিশেষায়িত ইউনিট।
২০২৪ — ১০০০তম কেস
১,০০০ নারীর সহায়তা সম্পন্ন।
২০২৫ — জেলা সম্প্রসারণ
৩২টি জেলায় স্থানীয় কো-অর্ডিনেটর।
২০২৬ — এই ওয়েবসাইট
অনলাইন অভিযোগ প্ল্যাটফর্ম চালু — এই সাইট।
দল
যারা আপনার পাশে থাকবেন
৫টি ভূমিকায় বিশেষজ্ঞ একটি দল — কেস ম্যানেজার, আইনজীবী, প্রযুক্তিবিদ ও কমিউনিটি ওয়ার্কার।
সাইবার সেল প্রধান
ফারহানা ইসলাম
পুরো দল ও কৌশল পরিচালনা করেন।
কেস ম্যানেজার
নাজনীন আহমেদ
ভিকটিমদের সরাসরি কেস সাপোর্ট।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ
তামান্না হক
ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ।
আইনি উপদেষ্টা
ব্যারিস্টার মাসুদা ভাট্টি
আদালতি প্রক্রিয়া ও আইনি কৌশল।
কমিউনিটি কো-অর্ডিনেটর
সাবরিনা রহমান
সচেতনতা প্রচার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্মসূচি।
আচরণবিধি
যা আমরা কখনো করব না
আমাদের কাজের মূলনীতি — যেগুলো ভাঙব না, কখনোই।
- ভিকটিমকে দায়ী করা
- অনুমতি ছাড়া কারো তথ্য প্রকাশ
- টাকার বিনিময়ে সাহায্য
- ধর্ম/জাত/পরিচয় ভিত্তিক বৈষম্য
- ভিকটিমকে কোনো সিদ্ধান্তে চাপ দেওয়া
- অপরাধীর সাথে সমঝোতা ভিকটিমের সম্মতি ছাড়া
আমাদের সাথে কাজ করুন
স্বেচ্ছাসেবী হোন
আইনজীবী, প্রযুক্তিবিদ, কাউন্সেলর বা সাধারণ স্বেচ্ছাসেবী — সবার দরকার। সপ্তাহে মাত্র ৫ ঘণ্টা দিলেও পরিবর্তন আনতে পারেন।